BIOGRAPHY

H.A. Billal Hossain

H A BIllal Hossain was born on 25th June 1986 in Bhedargonj Sub-District, Shariatpur district in Dhaka division. Late Md. Sirajul Haque & Ms. Rasida Begum are his parents. His father was an active political activist being inspired by the ideology of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. Being a unit Member of Bangladesh Awami League, he played an important role as one of the organizers in the war of independence held in 1971 in the the Shariatpur area.

Social Media Presence

Twitter

PHOTO GALLERY

VIDEO GALLERY

SACRIFICES

FOR BANGLADESH AWAMI LEAGUE

this site is under construction...........

আমাদের বিবেক যখন রেইনট্রি’র কাঁচের গ্লাসে বন্ধী..


শিশু লিজাকে নিয়ে হয়তো কেউ আন্দোলন করবেনা, খুনীদের বিচারও চাইবেনা! কারন লিজা কারো রাতের ঘুম হারাম করেনি। লিজার শারীরিক গঠনও সেরকম হয়ে ওঠেনি যে, ওর হত্যার বিচার চাইবে!!! অথচ সাজানো কিংবা সন্দেহজনক ধর্ষণ (যার কোন সত্যতা নেই) মামলা নিয়ে আমরা অনেকেই মাতামাতি করি। কাগজেকলমে, ‘ধর্ষিতা’ মেয়েটি দেখতে সুপার কুইন, তাকে চিন্তা করে দুঃস্বপ্ন দেখে অনেকে সামাজিক আন্দোলনে নাম লেখায়। আমাদের বিবেক যখন সুন্দরী মেয়ের……….। তনুকে নিয়ে সবাই আন্দোলন করেছিল, একই সময়ে শরীয়তপুরে নার্গিস নামে একটি মেয়েকে হত্যা করেছিল কিছু কুলাঙ্গার। নার্গিসের আন্দোলনটা শরীয়তপুরেই সীমাবদ্ধ ছিল। কেননা নার্গিসের গায়ের রং ছিল কালো এবং দেখতে অসুন্দরী এবং সে কারনেই হয়তো সে কারো রাতের স্বপ্ন হতে পারেনি। তাই তাকে নিয়ে কেউ কোন আন্দোলন, কোন মানব বন্ধন করেনি শুধু গ্রামের মানুষ ছাড়া। তার পরে গাজীপুরে ধর্ষিতা শিশুর বিচার না পেয়ে বাবা-মেয়ের আত্মহত্যা ও বনানী (কথিত) ধর্ষণের ঘটনার মধ্যে, যুব সমাজ বনানী ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে বহু মাতামাতি করেছিল যা আদৌ সত্য প্রমাণিত হয়নি। বনানীর (কথিত) ধর্ষিতারা যুবতী বলেই যুব সমাজ থেকে শুরু করে বয়স্কদের বিবেকও রেইনট্রি হোটেলে আটকা ছিল, অথচ গাজীপুরের শিশুটি কারো রাতের ঘুম হারাম করেনি বলেই তাকে নিয়ে কোন সামাজিক মাধ্যমই গরম হয়নি। গত দুই সপ্তাহ পূর্বে সখিপুরে একজন অপরিচিত লোককে কে বা কারা হত্যা করেছে, পুলিশ তা তদন্ত না করেই বেওয়ারিশ হিসাবে দাফন করেদিল। শিশু লিজা আট দিন যাবৎ নিখোঁজ কেউ কোন সন্ধান দিতে পারেনি। আট দিন পরে তার বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করলো পুলিশ। পুলিশের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ, লাশ হওয়ার পর উদ্ধার করা!! পূর্বে কিছুই করার থাকেনা। লিজা হত্যার বিচার তার পরিবার পাবে কিনা জানিনা, আশা করবো এরকম ঘটনা যেন আর না ঘটে।। আজ লিজার বাবা-মায়ের বা পরিবারের ব্যথাটুকু বোঝার সাধ্য কারো হয়ে উঠবে না। H.A. Billal Hossain

পুলিশের বুটের আঘাতে সিজারের সেলাই ছুটে ইনফেকশনঃ তবুও আন্দোলনে নির্ভীক এগিয়ে যাওয়া


পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী সাবিনা আক্তার তুহিন বিএনপি-জামাতে অবৈধ নির্বাচনের প্রতিবাদে রাজপথে নামলে পুলিশের বুটের আঘাতে সিজারের সেলাই ছুটে গিয়ে ইনফেকশন হয়। দীর্ঘ ১ বছর নির্মম কষ্ট সহ্য করেছেন তিনি। তবুও আন্দোলনে নির্ভিক এগিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছেন সবাই নেতা হয় না; কেউ কেউ হয়। সবাই দেশ-মানুষের জন্য নয়; কেউ কেউ হয়…


এরশাদের কার্যালয়ে অগ্নী সংযোগের মধ্য দিয়ে অন্যায়ের রাজত্বের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ জানান তুহিন


এরশাদের কার্যালয়ে অগ্নী সংযোগের মধ্য দিয়ে অন্যায়ের রাজত্বের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ জানান তৎকালীন ছাত্রলীগ নেত্রী তুহিন। তার অগ্নিসংযোগের খবর দিকে দিকে পৌছে গেলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে ফিরে আসে সোনালী অতীতের গৌরবদীপ্ত প্রত্যয়।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সংক্ষিপ্ত জীবনী


১৭ মার্চ, ১৯২০: গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২৭: সাত বছর বয়সে গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতির জনকের প্রাতিষ্ঠানিক ছাত্রজীবনের সূচনা হয়। ১৯৩৯: সরকারী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ সভা করার কারণে বঙ্গবন্ধু প্রথম কারাবরণ করেন। ১৯৪৪: নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে বঙ্গবন্ধু রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন। ২৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৪৮ : তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে ঘোষণা করলে বঙ্গবন্ধু তার তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ করেন। ২ মার্চ, ১৯৪৮ : রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাবে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। ১১ মার্চ, ১৯৪৮ : রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে সাধারণ ধর্মঘট আহবানকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন। ২৩ জুন, ১৯৪৯ : পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় এবং জেলে থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৫২ : রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সালাম, রফিক, বরকত সহ আরো অনেকে। জেল থেকে বঙ্গবন্ধু এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেন এবং একটানা ৩ দিন তা অব্যাহত রাখেন। ১০ মার্চ, ১৯৫৪ : সাধারণ নির্বাচনে ২৩৭টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে বিজয়ী হয়। বঙ্গবন্ধু গোপালগঞ্জের আসনে বিজয়ী হন। ১৭ জুন, ১৯৫৫ : ঢাকার পল্টনের জনসভা থেকে বঙ্গবন্ধু সর্বপ্রথম পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন দাবী করেন। ৭ মার্চ, ১৯৬৬ : বঙ্গবন্ধু কতৃক ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। ৩ জানুয়ারী, ১৯৬৮ : পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে এক নম্বর আসামী করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। ২২ ফেব্রুয়ারী, ১৯৬৯ : তীব্র গণআন্দোলনের মুখে সরকার “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য” শিরোনামে মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়। ২৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৬৯ : ছাত্রলীগ আয়োজিত রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবকে দেয়া বিশাল সংবর্ধনা সভায় তাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ১২ নভেম্বর, ১৯৭০ : পূর্ব বাংলায় ভয়াবহ ঝড় এবং জলোচ্ছ্বাসে ১০ লাখ মানুষ মারা যায়। বঙ্গবন্ধু তার নির্বাচনী প্রচারণা স্থগিত করে ত্রাণ কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭০ : জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করে। পাকিস্তান পিপলস পার্টি পায় ৮৮টি আসন। ৭ মার্চ, ১৯৭১ : বঙ্গবন্ধু তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বাংলাদেশের স্বপ্ন চূড়ান্ত করা সেই ভাষণে বলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” বঙ্গবন্ধুর এই ভাষনে ষ্পষ্ট হয়ে যায় স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। ২৫ মার্চ, ১৯৭১ : পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম গণহত্যা ও নৃশংসতম কালো রাত। সন্ধ্যায় ইয়াহিয়া খানের ঢাকা ত্যাগের খবরে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সাথে বৈঠক করেন। রাত সাড়ে এগারটায় শুরু হয় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত অপারেশন সার্চ লাইট। ২৬ মার্চ, ১৯৭১ : পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কর্তৃক গ্রেপ্তার হবার আগে ২৫শে মার্চ রাত সাড়ে ১২টায় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাবার্তা ওয়ারলেস যোগে চট্টগ্রামের জহুরুল আহমেদ চৌধুরীকে প্রেরণ করেন। ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ : বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি করে তৎকালীন মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ২ ডিসেম্বর, ১৯৭১ : বাংলাদেশ যখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে তখন ইয়াহিয়া খানের দেয়া সমঝোতা প্রস্তাব বঙ্গবন্ধু ঘৃনাভরে প্রত্যাখান করেন। ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ : ত্রিশ লাখ শহীদ এবং তিন লাখ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আসে আমাদের চূড়ান্ত বিজয়। কিন্তু বাঙ্গালীর মুক্তির স্বাদ অপূর্ণ রয়ে যায় স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর নির্জন কারাভোগের কারণে। ৮ জানুয়ারী, ১৯৭২ : বঙ্গবন্ধুর কারামুক্তি লাভ। ঐদিন বঙ্গবন্ধু লন্ডনে তার হোটেলের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন, “আমি আমার জনগনের কাছে ফিরে যেতে চাই।” ১০ জানুয়ারী, ১৯৭২ : বঙ্গবন্ধু স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং ঐ রাতেই তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১২ জানুয়ারী, ১৯৭২ : দেশে রাষ্ট্রপতি শাসনের পরিবর্তে সংসদীয় শাসন কাঠামো প্রবর্তন করে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন। ৭ মার্চ, ১৯৭২ : বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৩০০টির মধ্যে ২৯২টি আসনে বিজয়ী হয়। ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাঙালী নেতা হিসেবে জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ পরিষদে বাংলায় বক্তৃতা দেন। ১৫ আগষ্ট, ১৯৭৫ : স্বাধীনতা বিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের ষড়যন্ত্রে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে শহীদ হন।

Social Connect