অনুপ্রবেশকারীদের অপকর্মের মূল্য কেন ছাত্রলীগ দিবে?

অনুপ্রবেশকারীদের অপকর্মের মূল্য কেন ছাত্রলীগ দিবে?

আপনি যে একটা টাউট এবং হিপোক্রেট সেটা কি জানেন?
চলন্ত গাড়িতে পেট্রোল বোমা মেরে ৪০০ এর অধিক মানুষ মেরে ফেললো তখন তো একটা পোস্টও দেন নাই এর প্রতিবাদে।

জামাত-বিএনপি পরিবারের ছেলেরা ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতার পিছনে ঘুরঘুর করে এটা মিথ্যা নয়। সময় সুযোগে দুইএকটা ফটো তুলে ফেসবুকে আপলোড করে, তাতে কথিত শীর্ষ নেতারাও খুশি। এভাই ভাইলীগের আবিস্কার হলো। শীর্ষ নেতারা ভাবে সেতো আমারই লোক! কেন্দ্রীয় কিংবা ইউনিটের কমিটি করার সময় কোন প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই তাদের বিভিন্ন পদে পদায়ন করা হয়। সদ্য সাবেক (সোহাগ-জাকির) কমিটিতে ভাইলীগের রাজনীতি শুরু হলেও (শোভন-রাব্বানী) কমিটিতে রেকর্ড সংখ্যক অনুপ্রবেশ ঘটে। যাই হোক ঐদিকে যেতে চাচ্ছি না।
অনুপ্রবেশকারীরা কিন্তু বিএনপি-জামাত পরিবার থেকেই আগত। তারা সময় সুযোগ বুঝে ঘটিয়ে দেয় অঘটন। তাদের লক্ষই অপকর্ম করে সরকারের দুর্নাম করা।
একটু পিছনে ফিরে দেখিঃ কোটা আন্দোলনের সময় অনুপ্রবেশকারী ছাত্রলীগের পুরো অংশই ছিল সরকার বিরোধী। পরবর্তীতে ছাত্রলীগ তাদেরকে বহিষ্কার করেছে।
বুয়েটে আবরার হত্যায় যারা জড়িত সবাই ছাত্রলীগ অনুপ্রবেশকারী।
মোট কথা যত অপকর্ম হচ্ছে, নিশ্চিন্তে বলা যায় এগুলো অনুপ্রবেশকারীরাই করছে সরকারের বদনাম করার জন্য।

ক্যাসিনো ব্যবসায়ীদের বেশিরভাগই যুবলীগে অনুপ্রবেশকারী। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে তারা বিএনপি জামাত সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সক্রিয় নেতা/কর্মী ছিল। সরকার বদলের সাথে সাথে তারাও ভাই বদল করে যুবলীগের গডফাদার বনে যান।

নেতাদের প্রতি একটাই দাবি থাকবে, নেতা বানানোর পূর্বে পরিবারের খোজ নিন। তাদের পরিবার কোন মতাদর্শে বিশ্বাসী।

Leave a Comment