সুদ ঘুষ খাওয়া ও দেওয়া দুটোই অপরাধ? এগুলো বন্ধ করার উপায় কি?

সুদ ঘুষ খাওয়া ও দেওয়া দুটোই অপরাধ? এগুলো বন্ধ করার উপায় কি?

★ ইসলামে ‘সুদ’ খাওয়া ও দেওয়া দুটোই হারাম।
★★ ‘ঘুষ’ দেওয়া ও নেওয়া দুটোই অপরাধ।

প্রশ্ন-১ঃ একজন গরীব মানুষ কখন সুদ দেওয়ার শর্তে টাকা নেয়?
প্রশ্ন-২ঃ একজন মানুষ কখন ঘুষ দিতে বাধ্য হয়??

সুদ ও ঘুষ মানুষ কেন দেয়, তার উত্তর বহুমাত্রিক! এটা সবারই জানা বিষয়। সমাধানের পথ খুঁজে বের করার জন্য এই পোষ্ট।

#সুদঃ
→ গরীবদেরকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া।
যেমনঃ কন্যার বিয়ে দেওয়ার ঋণ, ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর ঋণ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক ঋণ ইত্যাদি।

#ঘুষঃ
→ নির্ধারিত ডকুমেন্টস এর ভিত্তিতে ফাইল অনুমোদন দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।
→ পরীক্ষার মাধ্যমে এবং যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

→ একজন মানুষকে ধারকর্জ করে ঘুষ দিয়ে চাকরি নিতে হয়, তবেও সেওতো ঘুষ খাবে!

যেমনঃ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাবমিট করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পাশ করতে হবে। পরীক্ষা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি এবং বেসরকারি খাতে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে, ইত্যাদি।

আমি বিশ্বাস করি, উপরোক্ত বিষয়গুলো নিশ্চিত হলে বাংলাদেশের সমাজ থেকে সুদ ও ঘুষ অনেকাংশেই কমে যাবে। তবে চিরতরে নির্মূল করা কঠিন বিষয়। কারন পৃথিবীর এমন কোন দেশ নেই যেখানে সুদ ও ঘুষ শব্দ দুটি প্রয়োগ হয় না।

এইচ এ বিল্লাল হোসেন
২০ জুন, ২০১৯

Leave a Comment